বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
এবারের বাণিজ্য মেলায় প্রায় ৩শ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। যা গতবারের চেয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা বেশি। এছাড়া মেলায় প্রায় ১শ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ- চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৭ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
ইপিবি জানিয়েছে, মেলায় দর্শনার্থীর উপস্থিতি আগের বারের চেয়ে বেশি ছিল। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা স্টল এবং প্যাভিলিয়ন হিসেবে এবারে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া শুরুতে ভিড় কম থাকলেও শেষের দিকে দর্শনার্থী অনেক ছিল। বিশেষ করে শেষ সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে মেলায় প্রচুর ক্রেতা-দর্শনার্থী এসেছে।
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি ছাড়াও প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আহমেদ বাবু।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যৈষ্ঠ অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম আহসান।
এবছর মেলায় ভারত, হংকং, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, পাকিস্থান, থাইল্যান্ড ও নেপাল-এর মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠান ছিল। বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিক্স অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্সস, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ সামগ্রী, চামড়া/আর্টিফিসিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারীওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর, ফার্নিচার ইত্যাদি পণ্য মেলায় প্রদর্শন করা হয়েছে।